Skip to main content
খাশোগি হত্যায় পাঁচ সৌদি কর্মকর্তার ফাঁসি
নভেম্বর ১৬, ২০১৮ - ১১:২১ পূর্বাহ্ণ News Code : 916756 Source : Jugantor Link: 
http://abna.cc/8kJ7
সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যায় পাঁচ কর্মকর্তার ফাঁসির আদেশ দিয়েছে সৌদি আরব।

আবনা ডেস্কঃ সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যায় পাঁচ কর্মকর্তার ফাঁসির আদেশ দিয়েছে সৌদি আরব। 

পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে জানিয়েছেন দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেল। 
এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, খাশোগি হত্যা ইসু্যতে সৌদির ওপর ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক চাপের কারণে দোষী পাঁচজনের ফাঁসির আদেশ দেয়া হল। 
ওয়াশিংটন পোস্টের কলামিস্ট খাশোগি বিয়ের জন্য কাগজপত্র সংগ্রহ করতে ২ অক্টোবর তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি কনসু্যলেটে যান। এরপর সেখান থেকে আর বের হননি তিনি। 
এ সম্পর্কে সৌদি আরবের সরকারি আইনজীবী অফিসের এক মুখপাত্র বলেন, হত্যার পর খাশোগির দেহ টুকরো টুকরো করা হয়। এরপর কনসু্যলেটের বাইরে থাকা এজেন্টের হাতে সেগুলো তুলে দেয়া হয়। 
সিএনএন জানায়, এ ঘটনায় মোট ১১ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে হত্যাকাণ্ডের আদেশ ও বাস্তবায়নে সরাসরি জড়িত পাঁচজন সর্বোচ্চ শাস্তির মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। 
অ্যাটর্নি জেনারেল সৌদ আল মুজিব, সৌদির সাবেক উপ-গোয়েন্দা প্রধান আহমেদ আল-আসিরি খাশোগিকে সৌদিতে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করার আদেশ দেন। এছাড়া তিনি ১৫ জনের একটি দল গঠন করেন। 
তিনি বলেন, এ দলটি সমঝোতা দল, গোয়েন্দা দল ও আইনগত দলে ভাগ হয়ে যায়। এর মধ্যে সমঝোতা দলটি হত্যাকাণ্ডের আদেশ দেয়। 
সৌদি আরব শুরু থেকে দাবি করে আসছিল তারা এ বিষয়ে কিছু জানে না। কিন্তু পরবর্তী সময় তারা স্বীকার করে, একদল দুর্বৃত্ত এ ঘটনা ঘটিয়েছে। 
তারা ঘটনার পরিবর্তিত কাহিনী আদালতে তুলে ধরেন। তুরস্কের কনস্যুলেটেই যে খাশোগিকে হত্যা করা হয়েছে তা স্বীকার করার পর সৌদি আরব তাদের গোয়েন্দা বিভাগের উপ-প্রধান ও ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের মিডিয়া প্রধানসহ উচ্চ পদস্থ পাঁচ কর্মকর্তাকে বহিষ্কার করে।

Comments

Popular posts from this blog

মুয়াবিয়ার সংক্ষিপ্ত বংশ পরিচয় ........................................... মুয়াবিয়া ছিলেন আবু সুফিয়ানের স্ত্রী হিন্দার জারজ সন্তান । আবু সুফিয়ানের সাথে হিন্দার বিবাহের তিন মাস পরে মুয়াবিয়া জন্মগ্রহণ করেন । তাঁর মাতা হিন্দা ছিলেন একজন ‘বেশ্যা’ । উর্দুভাষী একাধিক ঐতিহাসিক, হিন্দার চারিত্রীক বর্ণনায় ‘বেশ্যা’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন । অন্যান্য সূত্রানুযায়ী হিন্দা, বেশ্যা না হলেও তিনি যে বহু-পুরুষগামী মহিলা ছিলেন এবং মুয়াবিয়া যে তার জারজ সন্তান তার কিছু প্রমাণ পাওয়া যায় হজরত হাসান (রাঃ) ও হজরত আয়েশার (রাঃ) উক্তিতে । শাম ইবনে মুহাম্মদ কালভি (রঃ) তাঁর ‘কেতাবে মোসাব’ বইয়ে লেখেন- ‘হজরত হাসান (রাঃ) একদিন ব্যঙ্গ করে মুয়াবিয়াকে বলেন, তোমার কি মনে আছে তোমার আসল পিতা কে? মুয়াবিয়া কর্তৃক হজরত আয়েশার ভাই মুহাম্মদ ইবনে আবু বকর খুন হওয়ার সংবাদ পেয়ে আবু সুফিয়ানের মেয়ে উম্মে হাবিবা (মুয়াবিয়ার বোন ও নবীজির স্ত্রী) আয়েশাকে শান্তনা দেয়ার জন্য একটি ছাগল রান্না করে পাঠিয়ে দেন । আয়েশা জিজ্ঞেস করেন, ‘এর অর্থটা কি?’ উত্তরে উম্মে হাবিবা বললেন, ‘উসমান হত্যার প্রতিদানে , তোমার ভাই ...

*কাগজ কলম দিলেন না*

*কাগজ কলম দিলেন না*       বোখারীতে আছে আল্লাহর নবী হযরত মুহাম্মাদ সঃকে হযরত উমার সাহেব কাগজ কলম দিলেন না ৷ উনি বললেনঃ নবী হিজিয়ান বকছেন, অর্থাৎ ভুল বকছেন ৷  অথচ রাসুলের (সাঃ) ইন্তেকালের পরে হযরত আবু বকরের একান্ত ব্যক্তিগত কাগজ কলেমের ওসিয়ত মোতাবেক হযরত ওমর দ্বিতীয় খলীফা পদে টুপ করে বসে পড়লেন । দ্বিতীয় খলীফা  হযরত ওমর রাসুলের (সাঃ) পবিত্র মিম্বরে বসে পড়লেন । একদিনের সংক্ষিপ্ত ঘটনা ---- আল্লাহর রাসুলের (সাঃ) সন্তান তৃতীয় ইমাম হযরত হোসেন (আঃ) মিম্বরের উপর দিকে উঠে হযরত ওমরকে বললেন ,  *" ---- নেমে আসুন ! এটা আমার পিতার বসার মিম্বর  -----” ।*      (যারা আজ হুসাইন, হুসাইন করছেন বা হুসাইন জিন্দাবাদ বা নারা লাগাচ্ছেন ....তাদের উচিত হবে ইমাম হুসাইনের সেই সুন্নাতি প্রতিবাদী স্বরূপ তুলে ধরা ৷ কারণ হুসাইনের মা জননী আমৃত্যু হযরত উমার বা হযরত আবু বকরের সাথে কথা বলেন নি ৷  বোখারী খুলে দেখেনিন ৷  বোখারী স্পষ্ট লিখেছেন ৷ এমনকি বোখারী বলছেঃ  ফাতিমা রেগে গেলে বা ফাতিমা কষ্ট পেলে আল্লাহর রসুল রেগে যান, বা আল্লাহ রেগে যান ৷ ফা...

যাকাতে ফিতরা

*🌹 যাকাতে ফিতরা 🌹* নবীজীর সুন্নত এক সা' (৩ কেজি) আর মু'আবিয়ার সুন্নত অর্ধ সা' (১ কেজি ৫০০ গ্রাম) এবার আপনি কার সুন্নত মেনে চলবেন নবীজীর নাকি মু'আবিয়ার?  গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ) অধ্যায়ঃ ২৪/ যাকাত (كتاب الزكاة) হাদিস নম্বরঃ ১৫০৪ ২৪/৭১. মুসলিমদের গোলাম ও আমাদের উপর সদাকাতুল ফিতর প্রযোজ্য।  ১৫০৪ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, মুসলিমদের প্রত্যেক আযাদ, গোলাম পুরুষ ও নারীর পক্ষ হতে সদাকাতুল ফিতরা হিসেবে খেজুর অথবা যব-এর এক সা‘ পরিমাণ [৩ কেজি] আদায় করা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফরজ করেছেন। (১৫০৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪১৩) [1] সকল প্রকার খাদ্যদ্রব্য থেকে এক সা‘ পরিমাণ (৩ কেজি) ফিতরা দিতে হবে। এটাই বিভিন্ন সহীহ হাদীসের দাবী এবং নাবী (সাঃ) ও ৪ খলীফাহর যুগের বাস্তব আমল।  মু‘আবিয়া (রাঃ) তাঁর খিলাফতকালে যখন আসলেন এবং সেখানে গম আমদানী হল তখন তিনি বললেন, আমার মতে গমের এক মুদ (অন্য বস্তুর) দু’ মুদের সমান। তিরমিযীর বর্ণনায় রয়েছে।  فعدل الناس إلى نصف صاع من بر অর্থাৎ লোকেরা গমের অর্ধ সা‘ এর সাথে অন্...