Skip to main content

*রসুল(সঃ)-এর সালাত*

[11/18, 8:06 AM] Mustak Ahmed: *রসুল(সঃ)-এর সালাত*

.......মুস্তাক আহমদ(সত্যের পথে)

*সালাত* আরবী শব্দ ৷ সুধু আরবী শব্দ নয়, বরং কোরআনিক শব্দ ৷ আল্লাহপাক সালাতের বিষয় কোরআনে নাকি ৮৩ বার ব্যক্ত করেছেন, কিন্তু আমি তো দেখছি পুরো কোরআনটাই 'সালাত' ৷

আসলে 'সালাত' মানে হল সংযোগ স্থাপন করা, আল্লাহর সাথে বান্দার সংযোগের নাম 'সালাত' ৷ এ জন্য 'সালাত'কে প্রতিষ্টা(কায়েম)-এর কথা বলা হয়েছে৷ 'সালাত' পড়ার কথা বলা হয়নি ৷ 

কেউ যদি 'সালাত' কায়েম না করে 'সালাত'  সুধু পড়ে, তাহলে সে দৈহিক অঙ্গভঙ্গী করল, অর্থাৎ উঠবোস করাই তার সার হল, আল্লাহর সঙ্গে তার সংযোগ স্থাপন হল না ৷

এবার আসি আল্লাহর রসুল(সঃ)-এর সালাতের বিষয়ে, আমার থেকে অনেকেই জানতে চেয়েছিলেন, "নবীর সালাত কেমন ছিল?" আমি আজ এ প্রসঙ্গেই আলোচনার নিরিখে লিখছি, নবী(সঃ)-এর সালাত ছিল আল্লাহর সাথে নিবিড় সংযোগ স্থাপন করা ৷ 

আল্লাহর রসুল (সঃ) এই নিবিড় সংযোগ স্থাপন করতেন বলে মক্কার কাফেররা আল্লাহর নবীর সালাতের সিজদার সময় উটের পচা নাড়িভুড়ি চাপিয়ে দিত ৷ পাঁচ বছরের একমাত্র শিশুকন্যা হযরত ফাতিমা (আঃ) তা সরিয়ে দিতেন আর কাফেরদের উপরে লানত দিতেন ৷ এইছিল নবী সঃএর সালাত ৷ 

সেই ধারা অব্যাহত রাখার জন্য এরপর নবী সঃ যখন মদিনা এলেন তখন তিনি মেরাজে আল্লার নিকট থেকে উম্মাতের জন্য সালাত নিয়ে এলেন, আর সেই সালাতটি হল নবী সঃএর আহলে বাআতের প্রেমে দগ্ধ হয়ে আল্লাহর সামনে দাড়ানো ৷ 
এজন্য আল্লাহর নবী  ইমাম হুসাইন (আঃ)কে পিঠে বহন করে দেখিয়ে দিলেন, বুঝিয়ে দিলেন, সালাত হল আল্লাহর সঙ্গে মেরাজ৷ মুমিনের মেরাজ সালাত, যদি সেই সালাতের ইমাম হুসাইনের জিকির থাকে ৷ 

একদা আল্লাহর নবী তা অনুশীলনী করে দেখেও দিলেন, ছোট্ট ইমাম হুসাইন আঃ নবী সঃএর সালাতে সিজদার হালতে পিটে উঠে বসলেন, আল্লাহর নবী সেদিন আল্লাহর সঙ্গে সংযোগ(সালাত) করার একটি মৌলিক অভিনব বিষয় দেখালেন, আর সেটা হলঃ ....একদিকে হুসাইনের কথাকে স্মরণ করা আর মুখে আল্লাহর প্রসংসা করা ৷ আর এটাই হল সালাত ৷ আহলে বাইতের প্রেমে নিজেকে বিদগ্ধ করে আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোর নাম সালাত ৷

 নবী (সঃ) সেই সালাতের কথা আমাদের বলে গেছেন ৷ অর্থাৎ তাঁর রেখে যাওয়ার আহলে বাইতের সাথে নিবিড় মধুরপ্রেম(মুয়াদ্দাত) সম্পর্ক রাখে আল্লাহর সামনে দাড়িয়ে রুকু ও সিজদার নাম 'সালাত' ৷ 

যদি নবী সঃ এর আহলে বাইতের প্রতি প্রেম,মহব্বত,বা মুয়াদ্দাত না থাকে আর যদি নিছক রঙিণ মুসাল্লায় টুপি কেবলার দিকে দাড়িয়ে রুকু, সিজদার করে, তাহলে সেটা হবে দৈহিক অঙ্গকে সুধু ভঙ্গি করা ৷ একেই বলে নিছক উঠবোস করা, সেটা আল্লাহর সঙ্গে সংযোগ হল না ৷ অর্থাৎ সালাত হল না ৷ 

মদিনায় একদিন এক ব্যক্তি এমনই উঠবোসের অঙ্গভঙ্গীর অভিনয় করছিল ৷ সে দেখাচ্ছিল সে নামাজ পড়ছে, কিন্তু আল্লাহর নবী সঃ তা শুনে  আবু বকর বা উমারকে ডেকে ঐ নামাজিকে হত্যা করে দেবার হুকুম দিলেন ৷ কারণ তার অন্তরের ভিতরে নফরত(ঘৃণা)ছিল ৷

আজকের আলোচনা বিষয় ছিল নবী সঃএর সালাত কেমন ছিল ৷ সেই আলোচনার নিরিখে বলার কথা হলঃ নবী সঃএর দেখানো উম্মাতের কাছে রেখে যাওয়া সালাত হলঃ নবী সঃ এর আহলে বাইতের সাথে নিবিড় সংযোগ স্থাপন করা ৷  

এজন্য আল্লাহর নবী জুম্মার খুতবাতেও ইমাম হুসাইন আঃকে দেখিয়েছেন ৷ হাযা হুসাইন শব্দ উচ্চারণ করে ৷ কারণ হুসাইনের মারেফত হল আল্লাহর সাথে সংযোগ(সালাত) ৷ একেই বলে সালাত ৷ 

সেটা সালাত নয়, যে মানব জীবনে নবী সঃ এর আহলে বাইতের প্রতি নবিড় প্রেম(মুয়াদ্দাত) নেই ৷

 মক্কার দিন গুলিতে হযরত ফাতিমা আঃ শিশু হলেও তিনি নবী সিজদার সময় কাফেরর চাপিয়ে দেওয়া নাড়ি ভুড়ি সরিয়ে আল্লাহর সাথে নিবিড় সংযোগ স্থাপন করার সুযোগ করে দিতেন তাঁর আব্বাকে ৷ 

আর সেই ফাতিমা আঃ মদিনায় আব্বা(নবী) চলে যাবার পরপরই আব্বার উম্মত যাতে আল্লাহর সালত(নবিড় সংযোগ স্থাপনের ধারা অব্যহত ধারায় ধরে রাখতে পারে)সে জন্য মদিনার অলিতে গলিতে গেছেন, কারণ মদিনাবাসীর প্রায় লোক আবু বকরের হাতে বায়ত করে ফেলেছিল ৷

 হযরত ফাতিমা সকলের দ্বারপ্রান্থে নিজে হাজির হয়ে উম্মাতের সালাত(আল্লাহর সাথে সংযোগ) স্থাপনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছিলেন ৷ আর অপরদিকে ঐ বিচক্ষণ মহিলা হযরত ফাতিমা আঃ নিজে সালাতের(আল্লাহর সাথে সংযোগ) আধ্যাত্মিক স্বরূপ তুলে ধরার জন্য আব্বার উম্মাতের সম্মুখেই আবু বকরের সাথে ও উমারের সাথে সংযোগ সম্পর্কচ্ছেদ করেদিলেন ৷ এমনকি খাতুনে জান্নাত তাঁর  পবিত্র মুখের জান্নাতি সুবাসি 'সালাম' বিনিময়ও বন্ধ করেদিলেন ৷  

এই হল সালাত ৷ সালাত মানে নবী সঃএর আহলে বাইতের সাথে নিবিড় প্রেম (মুয়াদ্দাত) স্থাপন করা ৷ আর এই নিবিড় প্রেমের আগুণে বিদগ্ধ করার পর কেউ যদি আল্লাহর সামনে দাড়ায় তাহল নবী সঃ রেখে যাওয়া সালাত আদায় করলো ৷ 

তবে এটাও ঠিক যে, সালাত মানে যেমন নবীর আহলে বাইতের প্রতি গভীর প্রেম নিবেদন, ঠিক তেমনই যার প্রেম যত গভীর, বাতিলের প্রতি তার    লানতও বেশী ৷ বাতিল হল সে সে নিজেকে নবী সঃএর আহলে বাইতের শত্রুতায় নিজের পরিচয়কে কলিমালিপ্ত করেছে ৷ 
  
*জানি না আমি বোঝাতে পারলাম নাকি, জানিনা এ প্রবন্ধ পড়ার পর আমার উপরে সমালোচনা ঝড় বয়ে যাবে কিনা ৷*

কারণ আমি 'সালাতের' প্রচলিত ধারনা উপড়ে তুলে ফেলে দিয়ে নবী সঃ এর রেখে যাওয়া প্রকৃত সালাতের স্বরূপ বা মারেফত তুলে ধরলাম ৷ 

বন্ধু খোদা হাফেজ ৷ অবার আসবো এরকই আলোচনা নিয়ে, ততক্ষণের জন্য সালাম ৷

 *আহলে বাইত জিন্দাবাদ ৷ আহলে বাইতের শত্রুরা মুরদাবাদ ৷*
[11/18, 8:16 AM] Mustak Ahmed: *রসুল(সঃ)-এর সালাত*

.......মুস্তাক আহমদ(সত্যের পথে)

*সালাত* আরবী শব্দ ৷ সুধু আরবী শব্দ নয়, বরং কোরআনিক শব্দ ৷ আল্লাহপাক সালাতের বিষয় কোরআনে নাকি ৮৩ বার ব্যক্ত করেছেন, কিন্তু আমি তো দেখছি পুরো কোরআনটাই 'সালাত' ৷

আসলে 'সালাত' মানে হল সংযোগ স্থাপন করা, আল্লাহর সাথে বান্দার সংযোগের নাম 'সালাত' ৷ এ জন্য 'সালাত'কে প্রতিষ্টা(কায়েম)-এর কথা বলা হয়েছে৷ 'সালাত' পড়ার কথা বলা হয়নি ৷ 

কেউ যদি 'সালাত' কায়েম না করে 'সালাত'  সুধু পড়ে, তাহলে সে দৈহিক অঙ্গভঙ্গী করল, অর্থাৎ উঠবোস করাই তার সার হল, আল্লাহর সঙ্গে তার সংযোগ স্থাপন হল না ৷

এবার আসি আল্লাহর রসুল(সঃ)-এর সালাতের বিষয়ে, আমার থেকে অনেকেই জানতে চেয়েছিলেন, "নবীর সালাত কেমন ছিল?" আমি আজ এ প্রসঙ্গেই আলোচনার নিরিখে লিখছি, নবী(সঃ)-এর সালাত ছিল আল্লাহর সাথে নিবিড় সংযোগ স্থাপন করা ৷ 

আল্লাহর রসুল (সঃ) এই নিবিড় সংযোগ স্থাপন করতেন বলে মক্কার কাফেররা আল্লাহর নবীর সালাতের সিজদার সময় উটের পচা নাড়িভুড়ি চাপিয়ে দিত ৷ পাঁচ বছরের একমাত্র শিশুকন্যা হযরত ফাতিমা (আঃ) তা সরিয়ে দিতেন আর কাফেরদের উপরে লানত দিতেন ৷ এইছিল নবী সঃএর সালাত ৷ 

সেই ধারা অব্যাহত রাখার জন্য এরপর নবী সঃ যখন মদিনা এলেন তখন তিনি মেরাজে আল্লার নিকট থেকে উম্মাতের জন্য সালাত নিয়ে এলেন, আর সেই সালাতটি হল নবী সঃএর আহলে বাআতের প্রেমে দগ্ধ হয়ে আল্লাহর সামনে দাড়ানো ৷ 
এজন্য আল্লাহর নবী  ইমাম হুসাইন (আঃ)কে পিঠে বহন করে দেখিয়ে দিলেন, বুঝিয়ে দিলেন, সালাত হল আল্লাহর সঙ্গে মেরাজ৷ মুমিনের মেরাজ সালাত, যদি সেই সালাতের ইমাম হুসাইনের জিকির থাকে ৷ 

একদা আল্লাহর নবী তা অনুশীলনী করে দেখেও দিলেন, ছোট্ট ইমাম হুসাইন আঃ নবী সঃএর সালাতে সিজদার হালতে পিটে উঠে বসলেন, আল্লাহর নবী সেদিন আল্লাহর সঙ্গে সংযোগ(সালাত) করার একটি মৌলিক অভিনব বিষয় দেখালেন, আর সেটা হলঃ ....একদিকে হুসাইনের কথাকে স্মরণ করা আর মুখে আল্লাহর প্রসংসা করা ৷ আর এটাই হল সালাত ৷ আহলে বাইতের প্রেমে নিজেকে বিদগ্ধ করে আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোর নাম সালাত ৷

 নবী (সঃ) সেই সালাতের কথা আমাদের বলে গেছেন ৷ অর্থাৎ তাঁর রেখে যাওয়ার আহলে বাইতের সাথে নিবিড় মধুরপ্রেম(মুয়াদ্দাত) সম্পর্ক রাখে আল্লাহর সামনে দাড়িয়ে রুকু ও সিজদার নাম 'সালাত' ৷ 

যদি নবী সঃ এর আহলে বাইতের প্রতি প্রেম,মহব্বত,বা মুয়াদ্দাত না থাকে আর যদি নিছক রঙিণ মুসাল্লায় টুপি কেবলার দিকে দাড়িয়ে রুকু, সিজদার করে, তাহলে সেটা হবে দৈহিক অঙ্গকে সুধু ভঙ্গি করা ৷ একেই বলে নিছক উঠবোস করা, সেটা আল্লাহর সঙ্গে সংযোগ হল না ৷ অর্থাৎ সালাত হল না ৷ 

মদিনায় একদিন এক ব্যক্তি এমনই উঠবোসের অঙ্গভঙ্গীর অভিনয় করছিল ৷ সে দেখাচ্ছিল সে নামাজ পড়ছে, কিন্তু আল্লাহর নবী সঃ তা শুনে  আবু বকর বা উমারকে ডেকে ঐ নামাজিকে হত্যা করে দেবার হুকুম দিলেন ৷ কারণ তার অন্তরের ভিতরে নফরত(ঘৃণা)ছিল ৷

আজকের আলোচনা বিষয় ছিল নবী সঃএর সালাত কেমন ছিল ৷ সেই আলোচনার নিরিখে বলার কথা হলঃ নবী সঃএর দেখানো উম্মাতের কাছে রেখে যাওয়া সালাত হলঃ নবী সঃ এর আহলে বাইতের সাথে নিবিড় সংযোগ স্থাপন করা ৷  

এজন্য আল্লাহর নবী জুম্মার খুতবাতেও ইমাম হুসাইন আঃকে দেখিয়েছেন ৷ হাযা হুসাইন শব্দ উচ্চারণ করে ৷ কারণ হুসাইনের মারেফত হল আল্লাহর সাথে সংযোগ(সালাত) ৷ একেই বলে সালাত ৷ 

সেটা সালাত নয়, যে মানব জীবনে নবী সঃ এর আহলে বাইতের প্রতি নবিড় প্রেম(মুয়াদ্দাত) নেই ৷

 মক্কার দিন গুলিতে হযরত ফাতিমা আঃ শিশু হলেও তিনি নবী সিজদার সময় কাফেরর চাপিয়ে দেওয়া নাড়ি ভুড়ি সরিয়ে আল্লাহর সাথে নিবিড় সংযোগ স্থাপন করার সুযোগ করে দিতেন তাঁর আব্বাকে ৷ 

আর সেই ফাতিমা আঃ মদিনায় আব্বা(নবী) চলে যাবার পরপরই আব্বার উম্মত যাতে আল্লাহর সালত(নবিড় সংযোগ স্থাপনের ধারা অব্যহত ধারায় ধরে রাখতে পারে)সে জন্য মদিনার অলিতে গলিতে গেছেন, কারণ মদিনাবাসীর প্রায় লোক আবু বকরের হাতে বায়ত করে ফেলেছিল ৷

 হযরত ফাতিমা সকলের দ্বারপ্রান্থে নিজে হাজির হয়ে উম্মাতের সালাত(আল্লাহর সাথে সংযোগ) স্থাপনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছিলেন ৷ আর অপরদিকে ঐ বিচক্ষণ মহিলা হযরত ফাতিমা আঃ নিজে সালাতের(আল্লাহর সাথে সংযোগ) আধ্যাত্মিক স্বরূপ তুলে ধরার জন্য আব্বার উম্মাতের সম্মুখেই আবু বকরের সাথে ও উমারের সাথে সংযোগ সম্পর্কচ্ছেদ করেদিলেন ৷ এমনকি খাতুনে জান্নাত তাঁর  পবিত্র মুখের জান্নাতি সুবাসি 'সালাম' বিনিময়ও বন্ধ করেদিলেন ৷  

এই হল সালাত ৷ সালাত মানে নবী সঃএর আহলে বাইতের সাথে নিবিড় প্রেম (মুয়াদ্দাত) স্থাপন করা ৷ আর এই নিবিড় প্রেমের আগুণে বিদগ্ধ করার পর কেউ যদি আল্লাহর সামনে দাড়ায় তাহল নবী সঃ রেখে যাওয়া সালাত আদায় করলো ৷ 

তবে এটাও ঠিক যে, সালাত মানে যেমন নবীর আহলে বাইতের প্রতি গভীর প্রেম নিবেদন, ঠিক তেমনই যার প্রেম যত গভীর, বাতিলের প্রতি তার    লানতও বেশী ৷ বাতিল হল সে সে নিজেকে নবী সঃএর আহলে বাইতের শত্রুতায় নিজের পরিচয়কে কলিমালিপ্ত করেছে ৷ 
  
*জানি না আমি বোঝাতে পারলাম নাকি, জানিনা এ প্রবন্ধ পড়ার পর আমার উপরে সমালোচনা ঝড় বয়ে যাবে কিনা ৷*

কারণ আমি 'সালাতের' প্রচলিত ধারনা উপড়ে তুলে ফেলে দিয়ে নবী সঃ এর রেখে যাওয়া প্রকৃত সালাতের স্বরূপ বা মারেফত তুলে ধরলাম ৷ 

বন্ধু খোদা হাফেজ ৷ অবার আসবো এরকই আলোচনা নিয়ে, ততক্ষণের জন্য সালাম ৷

 *আহলে বাইত জিন্দাবাদ ৷ আহলে বাইতের শত্রুরা মুরদাবাদ ৷*

Comments

Popular posts from this blog

মুয়াবিয়ার সংক্ষিপ্ত বংশ পরিচয় ........................................... মুয়াবিয়া ছিলেন আবু সুফিয়ানের স্ত্রী হিন্দার জারজ সন্তান । আবু সুফিয়ানের সাথে হিন্দার বিবাহের তিন মাস পরে মুয়াবিয়া জন্মগ্রহণ করেন । তাঁর মাতা হিন্দা ছিলেন একজন ‘বেশ্যা’ । উর্দুভাষী একাধিক ঐতিহাসিক, হিন্দার চারিত্রীক বর্ণনায় ‘বেশ্যা’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন । অন্যান্য সূত্রানুযায়ী হিন্দা, বেশ্যা না হলেও তিনি যে বহু-পুরুষগামী মহিলা ছিলেন এবং মুয়াবিয়া যে তার জারজ সন্তান তার কিছু প্রমাণ পাওয়া যায় হজরত হাসান (রাঃ) ও হজরত আয়েশার (রাঃ) উক্তিতে । শাম ইবনে মুহাম্মদ কালভি (রঃ) তাঁর ‘কেতাবে মোসাব’ বইয়ে লেখেন- ‘হজরত হাসান (রাঃ) একদিন ব্যঙ্গ করে মুয়াবিয়াকে বলেন, তোমার কি মনে আছে তোমার আসল পিতা কে? মুয়াবিয়া কর্তৃক হজরত আয়েশার ভাই মুহাম্মদ ইবনে আবু বকর খুন হওয়ার সংবাদ পেয়ে আবু সুফিয়ানের মেয়ে উম্মে হাবিবা (মুয়াবিয়ার বোন ও নবীজির স্ত্রী) আয়েশাকে শান্তনা দেয়ার জন্য একটি ছাগল রান্না করে পাঠিয়ে দেন । আয়েশা জিজ্ঞেস করেন, ‘এর অর্থটা কি?’ উত্তরে উম্মে হাবিবা বললেন, ‘উসমান হত্যার প্রতিদানে , তোমার ভাই ...

*কাগজ কলম দিলেন না*

*কাগজ কলম দিলেন না*       বোখারীতে আছে আল্লাহর নবী হযরত মুহাম্মাদ সঃকে হযরত উমার সাহেব কাগজ কলম দিলেন না ৷ উনি বললেনঃ নবী হিজিয়ান বকছেন, অর্থাৎ ভুল বকছেন ৷  অথচ রাসুলের (সাঃ) ইন্তেকালের পরে হযরত আবু বকরের একান্ত ব্যক্তিগত কাগজ কলেমের ওসিয়ত মোতাবেক হযরত ওমর দ্বিতীয় খলীফা পদে টুপ করে বসে পড়লেন । দ্বিতীয় খলীফা  হযরত ওমর রাসুলের (সাঃ) পবিত্র মিম্বরে বসে পড়লেন । একদিনের সংক্ষিপ্ত ঘটনা ---- আল্লাহর রাসুলের (সাঃ) সন্তান তৃতীয় ইমাম হযরত হোসেন (আঃ) মিম্বরের উপর দিকে উঠে হযরত ওমরকে বললেন ,  *" ---- নেমে আসুন ! এটা আমার পিতার বসার মিম্বর  -----” ।*      (যারা আজ হুসাইন, হুসাইন করছেন বা হুসাইন জিন্দাবাদ বা নারা লাগাচ্ছেন ....তাদের উচিত হবে ইমাম হুসাইনের সেই সুন্নাতি প্রতিবাদী স্বরূপ তুলে ধরা ৷ কারণ হুসাইনের মা জননী আমৃত্যু হযরত উমার বা হযরত আবু বকরের সাথে কথা বলেন নি ৷  বোখারী খুলে দেখেনিন ৷  বোখারী স্পষ্ট লিখেছেন ৷ এমনকি বোখারী বলছেঃ  ফাতিমা রেগে গেলে বা ফাতিমা কষ্ট পেলে আল্লাহর রসুল রেগে যান, বা আল্লাহ রেগে যান ৷ ফা...

যাকাতে ফিতরা

*🌹 যাকাতে ফিতরা 🌹* নবীজীর সুন্নত এক সা' (৩ কেজি) আর মু'আবিয়ার সুন্নত অর্ধ সা' (১ কেজি ৫০০ গ্রাম) এবার আপনি কার সুন্নত মেনে চলবেন নবীজীর নাকি মু'আবিয়ার?  গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ) অধ্যায়ঃ ২৪/ যাকাত (كتاب الزكاة) হাদিস নম্বরঃ ১৫০৪ ২৪/৭১. মুসলিমদের গোলাম ও আমাদের উপর সদাকাতুল ফিতর প্রযোজ্য।  ১৫০৪ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, মুসলিমদের প্রত্যেক আযাদ, গোলাম পুরুষ ও নারীর পক্ষ হতে সদাকাতুল ফিতরা হিসেবে খেজুর অথবা যব-এর এক সা‘ পরিমাণ [৩ কেজি] আদায় করা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফরজ করেছেন। (১৫০৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪১৩) [1] সকল প্রকার খাদ্যদ্রব্য থেকে এক সা‘ পরিমাণ (৩ কেজি) ফিতরা দিতে হবে। এটাই বিভিন্ন সহীহ হাদীসের দাবী এবং নাবী (সাঃ) ও ৪ খলীফাহর যুগের বাস্তব আমল।  মু‘আবিয়া (রাঃ) তাঁর খিলাফতকালে যখন আসলেন এবং সেখানে গম আমদানী হল তখন তিনি বললেন, আমার মতে গমের এক মুদ (অন্য বস্তুর) দু’ মুদের সমান। তিরমিযীর বর্ণনায় রয়েছে।  فعدل الناس إلى نصف صاع من بر অর্থাৎ লোকেরা গমের অর্ধ সা‘ এর সাথে অন্...