Skip to main content
   জঙ্গল পাহাড় বলছে আজ নাদে আলী আলী (আঃ) 

জঙ্গল পাহাড় বলছে আজ নাদে আলী আলী (আঃ)
মুশকিল আষাণ করো এসে মুশকিল কূশা আলী (আঃ)
                              নারা....হায়দারী....ইয়া আলী.....
তুমি শেরে খোদা..তুমি মুশকিল কূশা...  (তুমি শেরে )
তোমার লাল আজ এসেছে কারবোবালা ....
                                     ইয়া আলী মোর্ত্তাজা (৪ বার)

একবার কারবোবালাতে এসে দেখো না...  (একবার )
আমরা আলে নবী সবাই কে বলো না..(আমরা আলে)
এই ছিল হায় সাব্বিরের বোনের নোওহা ।
                                     ইয়া আলী মোর্ত্তাজা (৪ বার)

রনে আকবারের বুকেতে বর্ষা লাগে...(রনে আকবা..)
মদিনায় ছোগরা যার আশায় বসে কাঁদে..(মদিনায়..)
যাকে নিয়ে ছিল মনে কত আশা ....।
                                     ইয়া আলী মোর্ত্তাজা (৪ বার)

ভাইয়ের শোকে ভেঙে গেছে মাওলার কোমর..(ভাই..)
নেই কেউ আজ জয়নাব কে দেবে চাঁদর..(নেই কেউ..)
মারা গেছে রসুলের ছবি মোস্তাফা..।
                                     ইয়া আলী মোর্ত্তাজা (৪ বার)

হায় শামে গ্বরীবার দিনে এ কি হলো... (হায় শামে..)
নবী জাদীরা আজ দেখো বন্দী হলো..(নবী জাদীরা..)
দেখো দেখো চেয়ে  আজ সাব্বীর একা..।
                                      ইয়া আলী মোর্ত্তাজা (৪ বার)

যার উপরে বিবিদের ভরসা ছিল...  (যার উপরে..)
মশকে পানি ভরে দুহাত কাটালো ...(মশকে পানি..)
ফিরবে না আর কোনদিন ছকিনার চাচা..।
                                      ইয়া আলী মোর্ত্তাজা (৪ বার)

দেখছে দুনিয়া মাওলা আজ সাব্বীর কে...(দেখছে..)
ক্বেয়ামত হবে কি শিশুর রক্ত থেকে...( ক্বেয়ামত..)
হায় সেই রক্ত সাব্বীরের মুখে মাখা..।
                                      ইয়া আলী মোর্ত্তাজা (৪ বার)

বিমারের সামনে বিবিরা বেপর্দা ....  (বিমারের সাম...)
ফুপি জয়নাব আর তার বোন ছকিনা... (ফুপি জয়..)
একই দড়িতে ছিল সবার হাত বাঁধা..।
                                      ইয়া আলী মোর্ত্তাজা (৪ বার)

ফতেমার মনের আশা সকল শিয়ারা...  (ফতেমার..)
পুরো করবে মাতম আর মজলিসের দ্বারা...  (পুরো..)
নাছির ও আছিম জানাই সমবেদনা ...।
                                     ইয়া আলী মোর্ত্তাজা (৮ বার)



                                 সমাপ্ত

Comments

Popular posts from this blog

মুয়াবিয়ার সংক্ষিপ্ত বংশ পরিচয় ........................................... মুয়াবিয়া ছিলেন আবু সুফিয়ানের স্ত্রী হিন্দার জারজ সন্তান । আবু সুফিয়ানের সাথে হিন্দার বিবাহের তিন মাস পরে মুয়াবিয়া জন্মগ্রহণ করেন । তাঁর মাতা হিন্দা ছিলেন একজন ‘বেশ্যা’ । উর্দুভাষী একাধিক ঐতিহাসিক, হিন্দার চারিত্রীক বর্ণনায় ‘বেশ্যা’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন । অন্যান্য সূত্রানুযায়ী হিন্দা, বেশ্যা না হলেও তিনি যে বহু-পুরুষগামী মহিলা ছিলেন এবং মুয়াবিয়া যে তার জারজ সন্তান তার কিছু প্রমাণ পাওয়া যায় হজরত হাসান (রাঃ) ও হজরত আয়েশার (রাঃ) উক্তিতে । শাম ইবনে মুহাম্মদ কালভি (রঃ) তাঁর ‘কেতাবে মোসাব’ বইয়ে লেখেন- ‘হজরত হাসান (রাঃ) একদিন ব্যঙ্গ করে মুয়াবিয়াকে বলেন, তোমার কি মনে আছে তোমার আসল পিতা কে? মুয়াবিয়া কর্তৃক হজরত আয়েশার ভাই মুহাম্মদ ইবনে আবু বকর খুন হওয়ার সংবাদ পেয়ে আবু সুফিয়ানের মেয়ে উম্মে হাবিবা (মুয়াবিয়ার বোন ও নবীজির স্ত্রী) আয়েশাকে শান্তনা দেয়ার জন্য একটি ছাগল রান্না করে পাঠিয়ে দেন । আয়েশা জিজ্ঞেস করেন, ‘এর অর্থটা কি?’ উত্তরে উম্মে হাবিবা বললেন, ‘উসমান হত্যার প্রতিদানে , তোমার ভাই ...

*কাগজ কলম দিলেন না*

*কাগজ কলম দিলেন না*       বোখারীতে আছে আল্লাহর নবী হযরত মুহাম্মাদ সঃকে হযরত উমার সাহেব কাগজ কলম দিলেন না ৷ উনি বললেনঃ নবী হিজিয়ান বকছেন, অর্থাৎ ভুল বকছেন ৷  অথচ রাসুলের (সাঃ) ইন্তেকালের পরে হযরত আবু বকরের একান্ত ব্যক্তিগত কাগজ কলেমের ওসিয়ত মোতাবেক হযরত ওমর দ্বিতীয় খলীফা পদে টুপ করে বসে পড়লেন । দ্বিতীয় খলীফা  হযরত ওমর রাসুলের (সাঃ) পবিত্র মিম্বরে বসে পড়লেন । একদিনের সংক্ষিপ্ত ঘটনা ---- আল্লাহর রাসুলের (সাঃ) সন্তান তৃতীয় ইমাম হযরত হোসেন (আঃ) মিম্বরের উপর দিকে উঠে হযরত ওমরকে বললেন ,  *" ---- নেমে আসুন ! এটা আমার পিতার বসার মিম্বর  -----” ।*      (যারা আজ হুসাইন, হুসাইন করছেন বা হুসাইন জিন্দাবাদ বা নারা লাগাচ্ছেন ....তাদের উচিত হবে ইমাম হুসাইনের সেই সুন্নাতি প্রতিবাদী স্বরূপ তুলে ধরা ৷ কারণ হুসাইনের মা জননী আমৃত্যু হযরত উমার বা হযরত আবু বকরের সাথে কথা বলেন নি ৷  বোখারী খুলে দেখেনিন ৷  বোখারী স্পষ্ট লিখেছেন ৷ এমনকি বোখারী বলছেঃ  ফাতিমা রেগে গেলে বা ফাতিমা কষ্ট পেলে আল্লাহর রসুল রেগে যান, বা আল্লাহ রেগে যান ৷ ফা...

যাকাতে ফিতরা

*🌹 যাকাতে ফিতরা 🌹* নবীজীর সুন্নত এক সা' (৩ কেজি) আর মু'আবিয়ার সুন্নত অর্ধ সা' (১ কেজি ৫০০ গ্রাম) এবার আপনি কার সুন্নত মেনে চলবেন নবীজীর নাকি মু'আবিয়ার?  গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ) অধ্যায়ঃ ২৪/ যাকাত (كتاب الزكاة) হাদিস নম্বরঃ ১৫০৪ ২৪/৭১. মুসলিমদের গোলাম ও আমাদের উপর সদাকাতুল ফিতর প্রযোজ্য।  ১৫০৪ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, মুসলিমদের প্রত্যেক আযাদ, গোলাম পুরুষ ও নারীর পক্ষ হতে সদাকাতুল ফিতরা হিসেবে খেজুর অথবা যব-এর এক সা‘ পরিমাণ [৩ কেজি] আদায় করা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফরজ করেছেন। (১৫০৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪১৩) [1] সকল প্রকার খাদ্যদ্রব্য থেকে এক সা‘ পরিমাণ (৩ কেজি) ফিতরা দিতে হবে। এটাই বিভিন্ন সহীহ হাদীসের দাবী এবং নাবী (সাঃ) ও ৪ খলীফাহর যুগের বাস্তব আমল।  মু‘আবিয়া (রাঃ) তাঁর খিলাফতকালে যখন আসলেন এবং সেখানে গম আমদানী হল তখন তিনি বললেন, আমার মতে গমের এক মুদ (অন্য বস্তুর) দু’ মুদের সমান। তিরমিযীর বর্ণনায় রয়েছে।  فعدل الناس إلى نصف صاع من بر অর্থাৎ লোকেরা গমের অর্ধ সা‘ এর সাথে অন্...